সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ঢাকা দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন, উত্তরে আসিফ মাহমুদ এনসিপির মেয়র প্রার্থী উত্তরা থেকে জামালপুর জেলার আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার ‎আশুলিয়ায় ফ্ল্যাট থেকে ৩ জনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার পরিচালক আতিক সজলের ‘ডা: আপদ’ নাটক, একদিনেই ১০ লাখ প্লাস ভিউ ‎আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাউফলের হাফেজ জাকারিয়া ‎ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি জনস্বার্থে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল বাউফল ইসলামী তরুণ সমাজ ‎সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‎ ‎কুর্দিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে টার্গেট করে ইরানের ড্রোন হামলা দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান, প্রজ্ঞাপন জারি

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে

ডেস্ক রিপোর্ট / ৮৭ বার পঠিত
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ

রাজবাড়ী : রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে উঠতে গিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। এতে চালক-হেল্পারসসহ অন্তত ৫০ জন যাত্রী ছিল বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনাল থেকে শিশুসহ আটজন যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসে বাসটি। এরপর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে যায় বাসটি।

কুমারখালী থেকে বাসে ওঠা যাত্রীরা হলেন—গিয়াস উদ্দিন রিপন (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭) এবং তাদের সন্তান আবুল কাসেম সাফি (১৭) ও আয়েশা বিন্তে গিয়াস (১৩)। গিয়াস খোকসা উপজেলার শোমসপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কুমারখালী পৌর ভবন এলাকার মৃত বকুল বিশ্বাসের জামাই। শ্বশুরবাড়িতে ঈদের ছুটি কাটিয়ে পরিবার নিয়ে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ঢাকার তাকওয়া ফুড প্রোডাক্টের কারখানায় ফিরছিলেন।
এ ছাড়া, আরও রয়েছেন—মো. নুরুজ্জামান (৩২), তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০) এবং তাদের সন্তান নওয়ারা আক্তার (৪) ও আরশান (৭ মাস)। তারা ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের খোন্দকবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। নুরুজ্জামান ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এই দুইটি পরিবারের মধ্যে আয়েশা, আরশান ও আয়েশা বিন্তে গিয়াস নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

খোকসা থেকে ওঠেন তিন যাত্রী। তারা হলেন—দেলোয়ার (৩০), তার স্ত্রী ও ছেলে ইসরাফিল (৩)। এরমধ্যে ছেলে ইসরাফিলের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে মুঠোফোনে নুরুজ্জামান বলেন, বাড়ির কাছাকাছি হওয়ায় কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকা যাওয়া-আসা করি। ছুটি এসে সৌহার্দ্য পরিবহনে ঢাকা যাচ্ছিলাম। পথে ফেরিতে ওঠার সময় গাড়ি সিরিয়ালে ছিল। তখন আমি আর বড় মেয়ে নাওয়ারা বাস থেকে নেমে যাই। আর স্ত্রী আয়েশা ও ছোট মেয়ে আরশান বাসেই ছিল। পরে বাসটি নদীতে পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত স্ত্রী আর ছোট মেয়ের সন্ধান পাইনি।

গিয়াস উদ্দিন রিপন বলেন, বাসের সঙ্গে আমার স্ত্রী লিটা ও মেয়ে আয়েশা পানিকে ডুবে যায়। পরে স্ত্রীকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করলেও মেয়েকে এখনো পাইনি।

সৌহার্দ্য পরিবহনের কুমারখালী বাস কাউন্টারের মাস্টার তন্বয় আহমেদ বলেন, দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে ৬টি সিটে শিশুসহ ৮ জন যাত্রী নিয়ে কুমারখালী থেকে ছেড়ে যায় বাসটি। এরপর খোকসা থেকে ৩ জন, মাছপাড়ার ৪ জন, পাংশার ১৫ জন, চালক, হেল্পারসহ ৪০ সিটের বাসে মোট ৫০ জন ছিল। ব্রেক ফেল করে গাড়িটি নদীতে নেমে গেছে। যাত্রীদের কারো পরিচয় জানা নেই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা বলেন, কুমারখালী থেকে শিশুসহ ৮ যাত্রী নিয়ে বাসটি ছেড়েছিল। তাদের বাড়ি খোকসা ও শৈলকূপা উপজেলায়। ৮ জনের মধ্যে তিনজন নিখোঁজের তথ্য পাওয়া গেছে।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর